1 Answers

"মিল থাকলেও উদ্দীপক ও কবিতার মূলভাব সম্পূর্ণ এক নয়।"- মন্তব্যটি যথার্থ। 

জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা মানুষকে মর্যাদাবান করে। স্বদেশের দানে মানুষ সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। স্বদেশের মাটির সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেই মানুষ ধন্য হয়। স্বদেশকে অবজ্ঞা করে যারা প্রবাসে গিয়ে নিজেদের তুলে ধরতে চায় তারা ভুল করে এবং ব্যর্থ হয়ে প্রকৃত মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়।

উদ্দীপকে স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেশের মাটিতে প্রাণের স্পন্দন, জীবনের সন্ধানের কথা বলা হয়েছে। স্বদেশে মানুষের জীবন সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনায় মিলেমিশে একাকার। এখানে জীবনে ঝড়-ঝঞ্ঝা যেমন আছে তেমনই আছে শান্তি-সুখের খবর। উদ্দীপকে স্বদেশের প্রতি মানুষের এই সম্পৃক্ততার দিকটি 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার স্বদেশের প্রতি কবির অনুরাগ ও ভালোবাসার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কিন্তু কবিতায় প্রকাশিত তাঁর হৃদয়বেদনা অন্যান্য প্রসঙ্গের পূর্ণ প্রতিফলন নয়। কারণ সেখানে কবি তাঁর শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতিময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করে ব্যথিত হয়েছেন।

'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবির ব্যক্তিগত আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে যা উদ্দীপকে অনুপস্থিত। কবি প্রবাসজীবনে তাঁর জন্মভূমির কপোতাক্ষ নদকে স্মরণ করে স্মৃতিকাতর হয়েছেন। এই বিষয়টি উদ্দীপকে নেই। কবি কপোতাক্ষ নদের জলকে মাতৃদুগ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এ ধরনের অনুভূতি উদ্দীপকে অনুপস্থিত। এসব দিক বিচারে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

6 views

Related Questions