1 Answers
জনাব শফিক কথা-বার্তা, কাজ-কর্ম, আচার-আচরণে সততা অবলম্বন করেন। তার এ কাজটি আখলাকে হামিদার অন্তর্গত। মানব জীবনে সততার প্রভাব ও সুফল সীমাহীন। এটি মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠনে সাহায্য করে, পাপাচার ও অশালীন কাজ হতে বিরত রাখে। সততার কারণে ব্যক্তি কোনো প্রকার অন্যায়- অত্যাচার করতে পারে না। মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারে না, অন্যায়কে মুখবুজে সহ্য করতে পারে না। এজন্যই বলা হয়- Honesty is the best policy. অর্থাৎ, সততাই সর্বোত্তম পন্থা। সততা মানবজীবনে সাফল্য ও মুক্তি এনে দেয়। রাসুল (স.) এ সম্পর্কে ঘোষণা করেছেন, "সত্যবাদিত মুক্তি দেয় এবং মিথ্যা ধ্বংস ডেকে আনে।” সততার কারণে মানুষ দুনিয়াতে সম্মানিত হয় এবং মর্যাদা লাভ করে এবং আখিরাতে জান্নাত প্রাপ্ত হয়। আল্লাহ এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে বলেন, “এইতো সেই দিন যেদিন সত্যবাদীদেরকে তাদের সততা বিশেষ উপকারে আসবে। তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত।” (সূরা আল-মায়িদা: ১১৯)
রাসুল (স.) সততার পথ অবলম্বন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “তোমরা সত্যবাদী হও। কেননা সত্য পূণ্যের পথ দেখায়। আর পূণ্য জান্নাতের পথে পরিচালিত করে।” (বুখারি ও মুসলিম) অন্য একটি হাদিসে আছে, একবার মহানবি (স.)কে জিজ্ঞেস করা হলো কী আমল করলে জান্নাতবাসী হওয়া যায়? জবাবে রাসুল বলেছেন, "সত্য কথা বলা।” (মুসনাদে আহমাদ)
উপরিউক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, জনাব শফিকের সততা অবলম্বন তাকে দুনিয়ার বুকে সম্মানিত ও মর্যাদাবান করবে এবং পরকালে তিনি জান্নাত লাভ করবেন।