1 Answers

উদ্দীপকের উল্লিখিত বক্তব্যটি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জনের দিকটির ইঙ্গিত করে। 

প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমেই মানুষ মনুষ্যত্বলোকের সন্ধান লাভ করে। প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তি মানবকল্যাণে কাজ করেন। প্রকৃত শিক্ষিত ব্যক্তি সমস্ত নিচতা, ক্ষুদ্রতা পরিহার করে বৃহত্তর লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়।

উদ্দীপকে জাতির জীবন ধারায় দুই প্রধান ধারার ভূমিকা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই দুই ধারা 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের জীবসত্তা ও মানবসত্তার সঙ্গে তুলনীয়। উদ্দীপকের প্রথম ধারাটিতে আত্মরক্ষা, স্বার্থপরতা, যুদ্ধবিগ্রহ প্রভৃতি বিষয় অনুষঙ্গ বিদ্যমান যা 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের জীবসত্তার উন্নতি সাধনের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। আর দ্বিতীয় ধারাটিতে আত্মপ্রকাশ, শিল্পসাহিত্য, ধর্ম প্রভৃতি কল্যাণকর দিক বিদ্যমান যার দ্বারা জাতি তার সুউচ্চ লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে। এই দ্বিতীয় ধারাটি 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধের প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমে মনুষ্যত্ব অর্জনের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। 'শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব' প্রবন্ধে লেখক শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে যে আলোচনা করেছেন তাতে শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধ সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। উদ্দীপকেও মানবকল্যাণ সাধন ও জাতীয় উন্নতির জন্য এবং জীবনের শ্রী বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় দিকটির সাধনা করতে বলেছেন।

4 views

Related Questions