1 Answers
আশরাফ তার আলোচনায় যে গ্রন্থের উদ্ধৃতি ব্যবহার করে সে গ্রন্থটি হলো আল-কুরআন। আল-কুরআন অনুসরণ ও বাস্তবায়নের উপযোগিতা অপরিসীম।
আমরা জানি, আল-কুরআন বিশ্বমানবের ইহকাল ও পরকালের সামগ্রিক কল্যাণের ধারক ও বাহক। স্থান, কাল ও জাতিভেদে কুরআন মানবজাতির জন্য একটি শাশ্বত ও পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান (A complete code of life)। গোটা বিশ্বমানবতার পথনির্দেশক হলো কুরআন। বর্তমান ঘটনাবলি ছাড়াও অতীতের সকল নবি- রাসুলের শিক্ষা-আদর্শ, কার্যকলাপ ও কৃতিত্বের নিখুঁত বিবরণ এবং অতীত জাতিসমূহের সার্বিক তথ্য, কুরআনে সন্নিবেশিত হয়েছে। এটি এক অনন্ত জ্ঞানভান্ডার। মানবজীবনে যত প্রকার সমস্যা আছে তার সমাধান, যত প্রকার জিজ্ঞাসা আছে তার উত্তর, মানবজীবনে যা কিছু প্রয়োজন তার বিধিব্যবস্থা কুরআনে কারিমে আছে। মানুষের জাগতিক, আত্মিক সব ব্যাপারে কুরআনে কারিমে আলোচনা করা হয়েছে। সর্বোপরি ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণের পথ নির্দেশনা কুরআনে রয়েছে। কাজেই ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি পেতে হলে আমাদেরকে অবশ্যই কুরআনের অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।