1 Answers
উদ্দীপকটি 'নিমগাছ' গল্পের পরোপকারে আত্মনিবেদনের দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করে।
সভ্যতা বিকাশও অগ্রযাত্রায় যুগে যুগে শোষিত-বঞ্চিতরাই এগিয়ে এসেছে। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি অবহেলার শিকার হয়েছে। তাদের শোষণ করেই একশ্রেণির লোক মালিক-মহাজন হয়েছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। কারণ পৃথিবীর সব মানুষই সমান। তাই অর্থ-বিত্ত দিয়ে মানুষকে পার্থক্য করা উচিত নয়।
উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি সমাজের নিম্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবন-যন্ত্রণা তুলে ধরেছেন। নিম্নশ্রেণির মানুষ অবিরাম খেটে চলে। অথচ তারা তাদের শ্রমের উপযুক্ত মূল্য ও মর্যাদা পায় না। উদ্দীপকের এই অবহেলার দিকটি 'নিমগাছ' গল্পের নিমগাছ প্রতীকে গৃহকর্ম-নিপুণা লক্ষ্মীবউটির প্রতি পরিবারের লোকদের অবহেলার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকের কুলিদের পরোপকারে আত্মনিবেদনের বিষয়টি 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছের নিজেকে পরের কল্যাণে নিবেদনের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। উদ্দীপকের কুলিরা যেমন বাবু সাবদের অবহেলার শিকার তেমনই নিমগাছের মতো উপকারী মনোভাব নিয়ে 'নিমগাছ' গল্পের গৃহবধূটিও অবহেলার শিকার। এদিক থেকে উদ্দীপকটি 'নিমগাছ' গল্পের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।