1 Answers

"মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাবধারা নয়"-মন্তব্যটি যথার্থ।

মহানবি হযরত মুহম্মদ (স.)-এর চারিত্রিক গুণাবলি তাঁকে সবার চেয়ে আলাদা করেছে। বিভিন্ন মানবীয় গুণের মধ্য দিয়ে তিনি সত্য ও কল্যাণের পথে বিচরণ করেছেন। তাঁর মহত্ত্ব, সাধনা, ত্যাগ, কল্যাণচিন্তা ছিল বিশ্বের সব মানুষের জন্য অনুকরণীয়।

'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মানবীয় গুণাবলি প্রকাশ পেয়েছে। মানবপ্রেম, ক্ষমা, উদারতা, দয়া ইত্যাদি মানবীয় গুণের সমাবেশ ঘটেছিল তাঁর চরিত্রে। তিনি আজীবন সত্যের পথে অবিচল থেকে মানবকল্যাণে নিয়োজিত ছিলেন। মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের সঠিক পথ দেখাতে তাঁর ক্লান্তি ছিল না। তিনি আড়ম্বরপূর্ণ জীবন পছন্দ করতেন না। সহজ, সরল, সাধারণ জীবনেই তিনি অভ্যস্ত ছিলেন। শত্রুর কাছে আঘাত পেয়েও তিনি ক্ষমার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাঁর কাছে সব মানুষ ছিল সমান। কোনো মানুষকেই তিনি ছোট-বড় করে দেখতেন না। উদ্দীপকেও খলিফা উমরের মাঝে সাম্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি সব মানুষকে সমান চোখে দেখে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।

উদ্দীপকে খলিফা হযরত উমরের মাঝে সব মানুষকে সমানভাবে দেখার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে। এই বিষয়টি প্রবন্ধে হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মাঝেও দেখা যায়। কিন্তু এদিক থেকে মিল থাকলেও প্রবন্ধে মুহম্মদ (স.)-এর চরিত্রের নানা দিক বিশ্লেষিত হয়েছে, যা উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

4 views

Related Questions