1 Answers
"উক্ত দিকটি 'মানুষ মুহম্মদ (স.)'-রচনার সমগ্র ভাবের পরিচয় বহন করে না।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
যুগে যুগে মহামানবেরা বিশ্বমানবের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। তাঁরা সাধনা ও ত্যাগের মাধ্যমে এ পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে রেখে গেছেন। মানবজাতির পথপ্রদর্শক তাঁরা। তাঁদের দেখানো সত্য ও আলোর পথে আমরা চলার অনুপ্রেরণা পাই।
উদ্দীপকে হযরত ওমর (রা.)-এর মানবীয় গুণাবলির বর্ণনা রয়েছে। তিনি সিরিয়া থেকে মদিনায় ফেরার সময় এক বৃদ্ধার অসহায়ত্বের কথা জানতে পারেন। তাঁর রাজ্যে থেকেও বৃদ্ধা এতটা অসহায় দিন যাপন করছেন বলে নিজেকে অপরাধী হিসেবে স্বীকার করেন। এ দিকটি 'মানুষ মুহম্মদ (স.)' রচনার মহানবি (স.)-এর মানবীয় গুণের দিকটি তুলে ধরে। তবে এ বিষয় ছাড়াও আলোচ্য প্রবন্ধে বহুবিধ বিষয় ও ভাবের প্রকাশ ঘটেছে।
'মানুষ মুহম্মদ (স.)' প্রবন্ধে মহানবি হযরত মুহম্মদ (স.)-এর মানবিক গুণাবলি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। হযরত ছিলেন মানুষের নবি। তিনি মানুষের পক্ষে যা আচরণীয় তাই প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। অগাধ সম্পদ ও মানুষের ভালোবাসার মধ্যে থেকেও তিনি সাধারণ জীবনযাপন করে গেছেন। তাঁর মানবপ্রেম, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, ক্ষমাশীলতা, ত্যাগ, সাধনা, কল্যাণচিন্তা ইত্যদি বিষয় আলোচ্য প্রবন্ধে উপস্থাপিত হয়েছে। এসব বিষয় ও ভাব উদ্দীপকে অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।