1 Answers
উদ্দীপকের আরশির মামার মধ্যে 'বই পড়া' প্রবন্ধের লেখকের সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে জাতির সর্ববিধ উন্নতি করার অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে।
শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে ভিতর থেকে মানুষ করে গড়ে তোলা এবং মনুষ্যত্ব অর্জনে সহায়তা করা। যিনি সত্য, ন্যায় ও মানবকল্যাণ নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করেন, তিনিই প্রকৃত শিক্ষিত। প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হলে মানুষকে বই পড়তে হয়, সাহিত্যচর্চা করতে হয়।
উদ্দীপকে জাতির উন্নতির জন্য সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আরশির মামা আরশিকে সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত করেছেন। তিনি সাহিত্যকে জ্ঞান-রাজ্যের এক সমৃদ্ধ অঙ্গ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে সাহিত্য ছাড়া কোনো জাতিই বিকশিত হতে পারে না। উদ্দীপকে আরশির মামার এই বক্তব্য 'বই পড়া' প্রবন্ধে লেখকের বক্তব্যের সঙ্গে মিল আছে। লেখকও জাতির উন্নতির জন্য প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে বলেছেন। আর এজন্য তিনি বই পড়া এবং লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। শিক্ষার প্রধান অঙ্গ হলো সাহিত্যচর্চা। আর বই পড়া ছাড়া সাহিত্যচর্চার উপায় নেই। ধর্মের চর্চা মন্দিরে দর্শনের চর্চা গৃহায়, বিজ্ঞানের চর্চা জাদুঘরে হলেও সাহিত্যচর্চার জন্য লাইব্রেরির প্রয়োজন হয়। উদ্দীপকে এই লাইব্রেরিকেই আরশির মামা সাহিত্যের বাতিঘর বলে অভিহিত করেছেন।