1 Answers
উদ্দীপকে বদরুলের বক্তব্যটিতে আল্লাহর সাথে শরিক করা হয়েছে। ইসলামি পরিভাষায় মহান আল্লাহর সাথে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে শরিক করা কিংবা তাঁর সমতুল্য মনে করাকে শিরক বলা হয়। শিরক হলো তাওহিদের বিপরীত। শিরক মূলত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা- আল্লাহ তায়ালার সত্তা ও অস্তিত্বে শিরক করা; তার গুণাবলিতে শিরক করা; সৃষ্টিজগতের পরিচালনায় কাউকে আল্লাহর অংশীদার বানানো; ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালায় সাথে কাউকে শরিক করা।
উদ্দীপকে বদরুলের বক্তব্যে সৃষ্টিজগৎ পরিচালনা এবং আল্লাহ তায়ালার গুণাবলি সম্পর্কে শিরক করা হয়েছে। ফেরেশতাদেরকে তার অংশীদার বানানো হয়েছে। তাই শিক্ষক মন্তব্যটি কুরআনের বিধান অনুযায়ী করেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন-
إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ بِهِ وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلِكَ لِمَنْ يَشَاءُ
অর্থ : “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। এতদ্ব্যতীত যেকোনো পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন।” (সূরা আন-নিসা : ৪৮) এছাড়াও সূরা লুকমানে শিরককে চরম জুলুম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং বলা যায়, বদরুলের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শিক্ষকের মন্তব্যটি যথার্থ হয়েছে।