1 Answers
খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণের অভিযানটির গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের দেশের বাজারে যেসব দ্রব্যসামগ্রী পাওয়া যায় তার ৭০-৯০% ভেজাল। খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য প্রয়োগের ফলে মানুষ নানাবিধ রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে এবং ক্রমান্বয়ে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই ভেজাল প্রতিরোধে নানা ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
ভেজাল প্রতিরোধ অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য বাজার তেকে তুলে নেয়া হচ্ছে। এছাড়া যারা ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য খাদ্যদ্রব্যে মেশায় তাদের বিভিন্ন ধরনের শাস্তি এবং অর্থ জরিমানা করা হচ্ছে। এর ফলে অসৎ ব্যবসায়ীরা খাদ্যে এসব ক্ষতিকর পদার্থ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবে। অন্যদেরকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেবে। এ ধরনের অভিযান জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করবে। তারা বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারবে। এর ফলে তারা সেগুলো ক্রয় এবং ব্যবহার থেকে বিরত থাকবে।
যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে তাদের নাম এসকল অভিযানের মাধ্যমে জানা যায়। এতে করে জনগণ সেসব কোম্পানির পণ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকবে। ভেজাল প্রতিরোধে অভিযানের ফলে খাদ্যে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের মাত্রা কমে আসবে। যার ফলে সাধারণ মানুষ, শিশু, অসুস্থ রোগীরা এ বিষয়ে প্রকোপ থেকে রক্ষা পাবে। বেঁচে যাবে হাজার হাজার প্রাণ। পরিশেষে বলা যায়, ভেজাল প্রতিরোধ অভিযানের মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের হার হ্রাস পাবে। মানুষ এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে।