1 Answers

রহিমা ও রেবেকার ক্ষেত্রে পুষ্টিচাহিদা তুলনামূলকভাবে ভিন্ন প্রকৃতির।

মেনু পরিকল্পনা করে খাদ্য প্রস্তুত করলে খাদ্যের পর্যাপ্ততা থাকে ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়। যদিও ভিন্ন ভিন্ন বয়সে ও শারীরিক অবস্থায় মেনু পরিকল্পনায় ভিন্নতা থাকে।

রহিমা একজন গর্ভবতী মহিলা। তিনি এ সময়টিকে খুবই গুরুত্ব দেন। তিনি শরীরের চাহিদানুযায়ী পুষ্টি চাহিদা পূরণের ব্যাপারে বেশ সচেতনতা অবলম্বন করেন। তার বোন রেবেকার একটি সন্তানের জন্ম হয়। অর্থাৎ তিনি একজন প্রসূতি মহিলা। ডাক্তার তাকে পুষ্টি চাহিদা পূরণের পরামর্শ দেন।

ডাক্তার বলেন যেহেতু রেবেকার সন্তানের বয়স তিন দিন তিনি একজন প্রসূতি মা। গর্ভবর্তী মায়ের তুলনায় প্রসূতি মায়ের পুষ্টি চাহিদা বেশি থাকে। গর্ভবতী মায়ের থেকে সন্তান পুষ্টি লাভ করলেও প্রসূতি মায়ের দুধ তৈরি হওয়ার জন্য ক্যালরি, প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের চাহিদা বেশি থাকে। গর্ভবতী মায়ের সন্তানের বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য প্রোটিনের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। প্রসূতি মায়ের দুধের প্রোটিন তৈরিতে ১৮- ২০ গ্রাম অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করা আবশ্যক। এর পাশাপাশি প্রসূতি মায়ের ভিটামিন-বি এর চাহিদাও বৃদ্ধি পায়। গর্ভবতী মায়ের লৌহ, আয়োডিনের পাশাপাশি ভিটামিন 'এ' ও 'সি' এর চাহিদা বৃদ্ধি পায়। প্রসূতি মায়ের দৈনিক ১ হতে ১৫ গ্রাম ক্যালসিয়াম ধার্য করা হয়। গর্ভবতী মায়ের ১২৫ মাইক্রোগ্রাম আয়োডিন গ্রহণ করা উচিত। উপরিউক্ত পুষ্টি চাহিদাগুলোতে রহিমা ও রেবেকার মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।

7 views

Related Questions