1 Answers
রাকিব তারুণ্যে অবস্থান করছে। প্রতিটি সমাজে নিজস্ব সংস্কৃতি অনুযায়ী কিছু নির্দিষ্ট রীতিনীতি থাকে।
এ সকল রীতিনীতি অনুযায়ী ভালো-মন্দ, বিচার বুদ্ধি ও লোভ প্রতিহত করাই নৈতিকতা। তরুণদের নৈতিক আচরণের স্বরূপ আলোচনা করা হলো-
তারুণ্যে ন্যায়পরায়ণতা বোধ প্রাধান্য বেশি লাভ করে। তার যুক্তির সাহায্যে কোনটি ন্যায়, কোনটি অন্যায় তা বিচার করার ক্ষমতা অর্জন করে। নৈতিকতাবোধ আবেগ সৃষ্টি করলে তরুণদের মনে চাপের সৃষ্টি হয়। এ বয়সে তরুণেরা একটি সমস্যার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করতে সক্ষম হয় এবং সমস্যার বিভিন্ন সমাধান অনুমান করতে পারে। কোনো কোনো ছেলেমেয়ে তরুণ বয়সে সঠিকভাবে নৈতিক আদর্শ গড়ে তুলতে পারে। আবার, কেউ কেউ নৈতিক পরিবর্তনে ব্যর্থ হয়ে নীতিবিরুদ্ধ কাজকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করে। কোনো কোনো ছেলেমেয়ে নিজেদের ধর্মীয় অভিজ্ঞতাকে নৈতিক নীতিমালার স্থলাভিষিক্ত করে। তারুণ্য শুরু হলে তারা মা-বাবা, শিক্ষক-শিক্ষিকা এমনকি সহপাঠীদের তৈরি নৈতিক নীতিমালা গ্রহণ করতে চায় না।
তারুণ্যে ছেলেমেয়েরা নীতিগতভাবে মিথ্যা বলা অপরাধ মনে করলেও অনেকে সামাজিক কারণে মিথ্যা বলে। এ বয়সে ছেলেমেয়েরা নিজেদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব নিজেরাই বহন করবে বলেই মনে করেন। ভয় অথবা চাপ প্রদর্শন অন্যায় কাজ থেকে তাদের বিরত রাখে। তরুণ- তরুণী সামাজিক প্রত্যাশানুযায়ী আচরণ না করতে পারলে তাদের মনে আত্মগ্লানির উদ্ভব হয়। আর সমবয়সীরা যখন তাদের আচরণ দেখে অসন্তুষ্ট হয় কেবল শুধু তখনই তাদের লজ্জার উৎপত্তি হয়।
পরিশেষে বলা যায়, যথাযথ নৈতিক শিক্ষা তরুণদের আদর্শ মানুষে পরিণত করে।