1 Answers

বংশগতির কারণে আনোয়ার সাহেবের কন্যাকে সকলে আনোয়ার সাহেবের প্রতিচ্ছবি বলে। গর্ভধারণের মুহূর্তেই বংশগত গুণাবলি নিদিষ্ট হয়ে যায়। প্রত্যেক ডিম্ব ও শুক্রতে থাকে ক্রোমোজোম নামে সূক্ষ্ম এক প্রকার পদার্থ। এদের জিন বলে। মানবজীবনের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য জিনের ওপরই নির্ভর করে। এজন্য জিনকে বলা হয় বংশগতির বাহক বা Carriers of heredity.

জাইগোট সৃষ্টির সময় ক্রোমোজোমের সংখ্যা থাকে ২৩ + ২৩ = ৪৬ জোড়া। অর্থাৎ প্রত্যেকটি ভ্রূণ মায়ের কাছ থেকে ২৩টি ও বাবার কাছ থেকে ২৩টি করে ক্রোমোজোম লাভ করে। ফলে শিশু বংশগতি থেকে কী কী গুণাবলি পাবে তা তখনই নির্ধারিত হয়ে যায়। তাই সন্তানের সাথে মা-বাবার চেহারার ও গুণাবলির মিল দেখা যায়। এ মিলই হলো বংশগতি। আর এ বৈশিষ্ট্যের কারণেই আনোয়ার সাহেবের কন্যাকে অনেকটাই তার মতো দেখা যায়। এজন্যই সকলে তার কন্যাকে তার প্রতিচ্ছবি বলে।

5 views

Related Questions