1 Answers

উদ্দীপকে বাংলাদেশকে মৌসুমি জলবায়ুর দেশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং পারিপার্শ্বিক প্রাকৃতিক বিষয় জলবায়ুর ওপর বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে। বাংলাদেশে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বায়ুপ্রবাহের গতি ও দিকের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, শীতকালে উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এবং বর্ষাকালে দক্ষিণ- পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পরিলক্ষিত হয়। ঋতু পরিবর্তনের কারণে বায়ুপ্রবাহের গতি ও দিকের পরিবর্তন মৌসুমি জলবায়ুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশে শীত ও গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রার ন্যূনতম পার্থক্য ৫০-১০০ সে. এর বেশি নয়। বাংলাদেশে কোনো বছর অতিবৃষ্টি এবং কোনো বছর অনাবৃষ্টি দেখা যায়, যা মৌসুমি জলবায়ুর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশে চিরসবুজ ও মিশ্র প্রকৃতির বনভূমি দেখা যায়। এদেশের জলবায়ুতে সারা বছর স্বাভাবিক উষ্ণতা ও আর্দ্রতা পরিলক্ষিত হয়। ইহা নাতিশীতোষ্ণ মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য। মৌসুমি জলবায়ুর মানুষের চরিত্রগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের বৈশিষ্ট্য মিলে যায়।' উপরের বৈশিষ্ট্যের আলোকে বাংলাদেশকে মৌসুমি জলবায়ুর দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

5 views

Related Questions