1 Answers

উদ্দীপকে মালের ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতি হলো ব্যতিরেকী পদ্ধতি এবং শুল্ক কর্মকর্তার বক্তব্য হলো পরিশেষ পদ্ধতি। নিচে এ দুয়ের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-

ব্যতিরেকী পদ্ধতি মূলত একটি পরীক্ষণের পদ্ধতি। পরীক্ষণের উপর নির্ভর করে এ পদ্ধতির সিদ্ধান্ত স্থাপন করা হয় বলে সিদ্ধান্ত খুবই নিশ্চিত হয়। এ পদ্ধতির সাহায্যে কার্যকারণ সম্পর্ককে শুধু আবিষ্কারই করা হয় না, তাকে প্রমাণও করা হয়। অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় ব্যতিরেকী পদ্ধতি খুবই সরল প্রকৃতির। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এ পদ্ধতির ব্যবহার লক্ষ করা যায়। তবে ব্যতিরেকী পদ্ধতি নিশ্চিতভাবে কার্য নির্ণয় করতে সক্ষম হলেও নিশ্চিতভাবে কারণ নির্ণয় করতে পারে না। আবার এ পদ্ধতি পরীক্ষণের পদ্ধতি বিধায় এর সাহায্যে জ্ঞাত কার্যের অজ্ঞাত কারণ প্রমাণ করা যায় না।

অপরদিকে আবিষ্কারের পদ্ধতির মধ্যে পরিশেষ পদ্ধতি অন্যতম একটি মৌলিক পদ্ধতি। এ পদ্ধতি প্রয়োগ করে নেপচুন নামক গ্রহ ও আর্গন নামক গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। অপ্রত্যাশিত ফল লাভের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি খুবই ফলপ্রসূ। এ পদ্ধতির সাহায্যে কারণ থেকে কার্যে এবং কার্য থেকে কারণের দিকে খুব সহজেই অগ্রসর হওয়া যায়। তবে কার্যকরণ সম্পর্ক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একে প্রথমেই প্রয়োগ করা যায় না। এ পদ্ধতিতে একটি শর্তকে সম্পূর্ণ কারণ বলে ভুল করার আশঙ্কা আছে। কোনো বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের প্রাথমিক স্তরে এটি প্রয়োগযোগ্য নয়। আবার প্রকৃতির জটিল ঘটনাবলি সব সময় চুলচেরা গাণিতিক নিয়মে পরিমাপ করা যায় না; তাই গাণিতিক হিসাব-নিকাশ এ পদ্ধতিতে চলে না।

5 views

Related Questions