1 Answers
উদ্দীপকের কোম্পানিটিতে দলবদ্ধ সমঝোতার নীতি অনুসৃত না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিতে নানাবিধ বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
একটি প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগ ও উপবিভাগ বিদ্যমান। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে লক্ষ্য অর্জনের উদ্দেশ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কাজ সম্পাদন করলে তবেই প্রাতিষ্ঠানিক উন্নতি সম্ভব। দলবদ্ধ সমঝোতার নীতি অনুসরণের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিশৃঙ্খলা থেকে মুক্তি পেতে পারে।
কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক নমনীয় মানসিকতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দলবদ্ধ সমঝোতার নীতি অনুসরণ করা বাঞ্ছনীয়। উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচালনা পর্ষদ ও বিভাগীয় প্রধানদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু উপ-বিভাগীয় পারস্পরিক মনোমালিন্য বিদ্যমান ছিল। যেহেতু কর্মীদের সহযোগিতা ব্যতীত কোনো লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব। সেহেতু প্রতিষ্ঠানটি তার নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে অসফল ছিল এবং প্রতিষ্ঠানে নানাবিধ বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হচ্ছিল।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাবৃন্দ যদি 'দলবদ্ধ সমঝোতার নীতি' অনুসরণ করে কার্য সম্পাদন করত তাহলে এ অবস্থার সৃষ্টি হতো না। কার্য আরম্ভের পূর্বে কর্মকর্তাদের প্রত্যেক আন্তঃবিভাগটি কর্ম ও শ্রমিকদের বিভিন্ন প্রেষণা দানের মাধ্যমে উপলব্ধি করানো উচিত ছিল যে, তারা এই প্রতিষ্ঠানের প্রাণ। প্রতিষ্ঠানের কোনো কাজই তাদের সকলের ঐক্য প্রচেষ্টা ব্যতীত সম্ভব নয়। প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্য পরিচালনায় 'দলবদ্ধ সমঝোতার নীতি' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের কোম্পানিটিতে সমন্বয়ের 'দলবদ্ধ সমঝোতার নীতি' অনুসৃত না হওয়ার কারণে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।