1 Answers
জনাব মিনার তার প্রতিষ্ঠানে পরবর্তীতে যে সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলেন সেটি হলো সমন্বয়ের ভারসাম্যতা।
সমন্বয়ের ভারসাম্যতা বলতে প্রতিষ্ঠানে প্রতিটা বিভাগ উপবিভাগের মধ্যে সংঘটিত কাজের সমতাকে বোঝায়। প্রতিটা বিভাগ ও উপবিভাগের কাজে যদি ভারসাম্য স্থাপন করা যায় তবে সমন্বয় অনেক সহজতর হয়ে থাকে। এতে ব্যক্তি ও বিভাগের কাজ যদি পরিমিত হয় তবে কারও দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার আবার কারও পিছু পড়ার সুযোগ থাকে না।'
উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব মিনারের প্রতিষ্ঠানে প্রথম দিকে সমন্বয়ের ভারসাম্যতার অভাব ছিল যার ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বিভিন্ন বিভাগ এবং উপবিভাগের কর্মীদের মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হতো। এ সমস্যা উপলব্ধি করতে পেরে জনাব মিনার তার প্রতিষ্ঠানে সমন্বয়ের ভারসাম্য নীতি কার্যকর করেন। কারণ লক্ষ্য অর্জনের নিমিত্তে প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বিভিন্ন উপায় উপাদানের মধ্যে ভারসাম্য স্থাপিত হওয়া উচিত। উপায় উপাদানের মধ্যে ভারসাম্য বজায় না থাকলে উপাদানের ব্যবহারে অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় ও অন্য উপাদানের কার্যক্ষমতা বিঘ্নিত হয় এবং যার ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। সমন্বয়ের মাধ্যমে এক্ষেত্রে ভারসাম্য সৃষ্টি ও উপায়-উপাদানের কার্যকর ফলপ্রদতা নিশ্চিত করা যায়। এ ছাড়াও কোনো প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগ ও উপবিভাগে নিয়োজিত বিভিন্ন ব্যক্তির দক্ষতা ও বিভাগীয় সামর্থ্যের মধ্যে অসমতা বিরাজ করে। ফলে কেউ যদি দ্রুত অগ্রসর হতে চায় তাহলে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা অন্যদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে ওঠে। এমতাবস্থায় সমন্বয় অসমতার মধ্যে সমতা বিধান করে লক্ষ্য অর্জন সহজতর করে কার্যক্ষেত্রে গতিশীলতা বৃদ্ধিতেও সমন্বয়ের ভারসাম্যতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় জনাব মিনার প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় পরবর্তীতে যে নীতিগ্রহণ করেন সেটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যথেষ্ট কার্যকর ভূমিকা পালন করে।