1 Answers

উদ্দীপকের বর্ণনানুযায়ী ড. জামিলের বন্ধুর গালের আচিল -20° C তাপমাত্রায় স্বল্পসময়ে রক্তপাতহীনভাবে অপারেশন করা হয়। এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতিকে ক্রায়োসার্জারি বলা হয়। মূলত বরফ শীতল তাপমাত্রায় কোষকলা ধ্বংস করার ক্ষমতাকে ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে কাজে লাগানো হয়। এক্ষেত্রে অত্যন্ত শীতল তাপমাত্রায় কোষকলার অভ্যন্তরে বলের আকৃতিবিশিষ্ট ছোট ছোট বরফের কৃষ্টাল তৈরি হয়ে আক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। এ যন্ত্রে সাধারণত শীতলকারী হিসেবে তরল নাইট্রোজেন অথবা আর্পন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। শরীরের বাইরের দিকে অবস্থিত অল্পের ক্ষেত্রে অত্যন্ত শীতল এ পদার্থ আক্রান্ত স্থানের কোষকলার ওপর তুলা জড়ানো শলাকা বা স্প্রে করার কোনো যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি প্রয়োগ করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি প্রযুক্তিটির সাফল্যজনক ব্যবহার লক্ষণীয়। বিশেষত ত্বকের বিভিন্ন ক্ষতের চিকিৎসায় এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। যেমন- ত্বকের তিল, আঁচিল, মেছতা, বিভিন্ন ধরনের টিউমার ও ক্যান্সার চিকিৎসায় এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

উপরের বর্ণনার আলোকে বলা যায়, স্বল্প সময়ে, রক্তপাতহীনভাবে আচিল চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারী খুবই কার্যকর একটি কৌশল। এক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে বাড়িও ফিরে যাওয়া সম্ভব। সুতরাং সার্বিক বিবেচনায় ড. জামিলের বন্ধু আচিল চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতি ব্যবহার করেন, যা যথাযথ হয়েছে।

4 views

Related Questions