1 Answers
উদ্দীপকে দরজা খোলার জন্য বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির ফিঙ্গার প্রিন্ট ও চোখের রেটিনা ব্যবহার করা হয়েছে।
দরজা খোলার কাজে ব্যবহৃত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিদ্বয়ের মধ্যে হাতের স্পর্শ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত, যা ফিঙ্গার প্রিন্ট নামে পরিচিত। প্রত্যেক মানুষের ফিঙ্গার প্রিন্ট সম্পূর্ণ ইউনিক এবং সারাজীবন ধরে অপরিবর্তিত থাকে। প্রতিটি ব্যক্তির ফিঙ্গার প্রিন্ট এতোটাই স্বাতন্ত্র্য যে দুটি যমজ শিশু একই ডিএনএ প্রোফাইল নিয়ে জন্মগ্রহণ করলেও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে আলাদা করা যায়। এক্ষেত্রে আগে থেকেই মানুষের আঙুলের ছাপ মেশিনে ধারণ করে রাখা হয়। পরবর্তীতে এই রিভার আঙুলের নিচের অংশে ত্বকে রীড করে সংরক্ষিত ছাপের সাথে তুলনা করে মিলে গেলে অ্যাকসেস প্রদান করে। এ পদ্ধতিতে সফলতার পরিমাণও বেশি। ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানারের দাম তুলনামূলকভাবে কম এবং সহজে সিস্টেম বুঝতে পারে। এ কারণে হাতের স্পর্শ পদ্ধতিই বহুল ব্যবহৃত। চোখের রেটিনা পদ্ধতিতেও একইভাবে ব্যক্তি শনাক্ত করা গেলেও এর সফলতার হার তুলনামূলকভাবে কম। এক্ষেত্রে চোখের আইরিশ বা রেটিনা স্ক্যানার হিসেবে ডেটা ইনপুট করে অ্যাকসেস কন্ট্রোল কাজ করে। কিন্তু আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান অনেক সময় সিস্টেম সহজে বুঝতে পারে না। তাছাড়া ডিভাইসটির দামও বেশি; এ কারণে এর ব্যবহার কম।