1 Answers

উদ্দীপকের ছাত্র দ্বিকোটিক বিভাগ অনুসরণ করেছেন। নিচে দ্বিকোটিক বিভাগের সুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো-

• দ্বিকোটিক বিভাগে সংশ্লিষ্ট জাতি বা তার অন্তর্গত উপজাতিগুলো সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়াই বিভাজন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব। 

• দ্বিকোটিক বিভাগে যৌক্তিক বিভাগ প্রক্রিয়ার সব নিয়মই অনুসৃত হয়। ফলে এতে কোনোরূপ অনুপপত্তি সংগঠিত না হওয়ায় বিভাগের ভ্রান্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই দেখা দেয় না। অর্থাৎ দ্বিকোটিক বিভাগ হচ্ছে যৌক্তিক বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী একটি দোষমুক্ত প্রক্রিয়া। 

• দ্বিকোটিক বিভাগ সহজ-সরল একটি পদ্ধতি। কারণ এ পদ্ধতিতে বিভাজ্য পদটিকে সদর্থক ও নঞর্থক কেবল এ দুটি পদে বিভক্ত করতে হয় বলে এ ক্ষেত্রে কোনোরূপ জটিলতার সৃষ্টি হয় না।

• দ্বিকোটিক বিভাগ বিরোধবাধক ও নির্মধ্যম নিয়মের উপর প্রতিষ্ঠিত বিধায় বিভাগ প্রক্রিয়ায় ভুল হওয়ার কোনোরূপ আশঙ্কাই থাকে না। 

• দ্বিকোটিক বিভাগের ক্ষেত্রে জাতি বা উপজাতিসমূহের যেকোনো স্তর থেকে বিভাজন প্রক্রিয়া শুরু করা যায় এবং যেকোনো পর্যায়ে তা শেষও করা যায়। এতে বিভাগ প্রক্রিয়াটিতে কোনো ধরনের দোষ ঘটে না। 

• নিখুঁত ও রূপানুসারী প্রক্রিয়া হিসেবে দ্বিকোটিক বিভাগের ব্যবহার ও প্রয়োগ অত্যন্ত সহজ। এরূপ ক্ষেত্রে কোনোরূপ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না।

উপর্যুক্ত আলোচনায় স্পষ্ট হয়, একটি সহজ-সরল ও রূপানুসারী প্রক্রিয়া হিসেবে দ্বিকোটিক বিভাগের প্রয়োগের মাধ্যমে বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়।

5 views

Related Questions