1 Answers
নির্দেশনা হলো প্রশাসন বা ব্যবস্থাপনার প্রাণ। নির্দেশনা ছাড়া পরিকল্পনার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নেই। তাই নির্দেশনাকে প্রশাসনের হৃদপিন্ড ব্যাখ্যা দেওয়া যায়। ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ ছাড়া অধস্তন নিজের ইচ্ছায় কিছু করতে পারে না। নির্দেশনা দ্বারা অধীনস্থদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সাধারণত নির্দেশনা বলতে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মীদের নির্দেশ প্রদানকে বোঝায়। কিন্তু নির্দেশনা কেবল কর্মীদের আদেশ প্রদানের মধ্যে সীমিত নয়। অধীনস্থ কর্মীদের ভবিষ্যৎ সব প্রচেষ্টা প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য অর্জনে ব্যবহারের লক্ষ্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্ররোচনা, পরামর্শ দান সংবলিত সকল কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রতিষ্ঠানের সকল কাজ ও সফলতা নির্দেশনার সাথে সম্পর্কিত বলেই বিখ্যাত ব্যবস্থাপনাবিদ মার্শাল ইডিমক নির্দেশনার সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, "নির্দেশনা কার্য হলো প্রশাসনের হৃদপিণ্ড যা কর্তব্য নির্ধারণ, আদেশ ও নির্দেশ দান এবং গতিশীল নেতৃত্বদানের সাথে জড়িত।" কোনো গাড়ির ড্রাইভার ছাড়া যেমন ইঞ্জিনে গতি সঞ্চার হয় না তেমনি নির্দেশনা ছাড়া সংগঠনের কাজের শুরু বা গতিশীলতা আসে না। সেজন্য মি. আর, পল্ট নির্দেশনাকে ব্যবস্থাপনার চালিকাশক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। নির্দেশনা ছাড়া' পরিকল্পনার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের কোনো সুযোগ নেই। ঊর্ধ্বতনের নির্দেশ ছাড়া অধস্তন নিজের ইচ্ছায় কিছু করতে পারে না। নির্দেশনা দ্বারা অধীনস্থদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। নির্দেশনা হলো প্রশাসন বা ব্যবস্থাপনার প্রাণ। এটি সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা কার্যকে গতিশীল করে লক্ষ্য অর্জনে প্রত্যয়ী করে তোলে। সাধারণভাবে ব্যবস্থাপনা হলো অন্যদেরকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার কৌশল। এ প্রক্রিয়ায় কী কাজ করতে হবে তা কর্মীদের বলা এবং তারা তা ঠিকমতো করছে কিনা তা অনুসরণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ব্যবস্থাপনার এ গুরুত্বপূর্ণ কাজই হলো নির্দেশনা। এ কারণেই বলা হয়, "নির্দেশনা প্রশাসনের হৃদপিণ্ড।"