1 Answers

উদ্দীপকে বর্ণিত গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হলো পরীক্ষণ পদ্ধতি। কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে গবেষণাগারে যন্ত্রপাতির সাহায্যে উৎপাদিত ঘটনাবলির সুনিয়ন্ত্রিত প্রত্যক্ষণ করাকে 'পরীক্ষণ বলে'। পরীক্ষণে কোনো বস্তুকে আমরা প্রচেষ্টা দ্বারা উৎপাদন বা আবিষ্কার করি। এজন্য পরীক্ষণের ক্ষেত্রে গবেষণাগার অপরিহার্য। পরীক্ষণ প্রক্রিয়া চালানো হয় কৃত্রিম পরিবেশে। সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার জন্য বৈজ্ঞানিক বা গবেষককে নতুন করে নিজের উপযোগী মতো যুতসই পরিবেশ তৈরি করে নিতে হয় পরীক্ষণ পদ্ধতিতে। এরপর পর্যায়ক্রমে যন্ত্রপাতি ও গবেষণার মাধ্যমে পরীক্ষণ কার্যে সক্রিয় অভিজ্ঞতা সৃষ্টি হয়। এরপর প্রাপ্ত বিষয় বা ঘটনাবলি বিশ্লেষণ এবং ঘটনার পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে নিশ্চিত ফলাফল পাওয়া যায়। এই জন্য পরীক্ষণের সিদ্ধান্ত হয় সর্বজনীন। যেমন: একজন গবেষক তাঁর পরীক্ষণ কার্যে যাচাই-বাছাই করে পারিপার্শ্বিক অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এ জন্য সিদ্ধান্ত সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হয় বলে বলা হয় পরীক্ষণ কার্যের সিদ্ধান্ত সর্বজনীন।

5 views

Related Questions