1 Answers

আমরা জানি অমাধ্যম অনুমানে আশ্রয়বাক্য হতে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। একটি মাত্র আশ্রয়বাক্য হতে সরাসরি সিদ্ধান্তে নিঃসৃত বা অনুমিত হওয়াই হলো অমাধ্যম অনুমান।

বিভিন্ন মাধ্যমে একটি আশ্রয়বাক্যের মাধ্যমে অমাধ্যম অনুমানের সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়। তার মধ্যে অন্যতম হলো আবর্তন ও প্রতিবর্তন। যে অমাধ্যম অবরোহ অনুমানে বিধিসঙ্গতভাবে কোনো আশ্রয় বাক্যের উদ্দেশ্যে স্থলে তার বিধেয়কে এবং বিধেয় এর স্থলে উদ্দেশ্যকে গ্রহণ করে সিদ্ধান্ত নিঃসৃত হয় তাকে 'আবর্তন' বলে। যেমন-

সকল মানুষ হয় মরণশীল।
কিছু মরণশীল প্রাণী হয় মানুষ।

অর্থাৎ, আবর্তনে সত্যমানকে অপরিবর্তিত রেখে একটি আশ্রয়বাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের পারস্পরিক স্থান পরিবর্তন করে নতুন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছা হয়। আবর্তনের আশ্রয়বাক্যকে বলা হয় 'আবর্তনীয়' এবং সিদ্ধান্তকে বলা হয় 'আবর্তিত'।

আবার প্রতিবর্তন এর মাধ্যমে অবরোহ অনুমানে আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য পদকে অপরিবর্তিত রেখে গুণগত পরিবর্তন করে আশ্রয়বাক্যের বিধেয় পদের বিরুদ্ধ পদকে সিদ্ধান্তের বিধেয় পদের বিরুদ্ধ পদকে সিদ্ধান্তের বিধেয় হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাকে 'প্রতিবর্তন' বলে। যেমন-

সকল মানুষ হয় মরণশীল।
কোনো মানুষ নয় অমরণশীল।

প্রতিবর্তনে সদর্থক যুক্তিবাক্যের নঞর্থক করা হয় এবং নঞর্থক যুক্তিবাক্যের সদর্থক করা হয়। প্রতিবর্তনে আশ্রয়বাক্যকে বলা হয় 'প্রতিবর্তনীয়' এবং সিদ্ধান্তকে বলা হয় 'প্রতিবর্তিত'।

5 views

Related Questions