1 Answers

আরোহ অনুমান হচ্ছে কিছু থেকে সকলে গমনের একটি প্রক্রিয়া। এতে আমরা কতিপয় বিশিষ্ট ধারণা থেকে শুরু করে একটি সার্বিক ধারণায় গমন করি। আবার আরোহ অনুমানের সিদ্ধান্তরূপে যে বাক্যটি স্থাপন করা হয়, তা একটি সার্বিক যুক্তিবাক্য, বিশেষ যুক্তিবাক্য নয়। একটি সার্বিক যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি তার উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থের ওপর আরোপিত হয়। এরূপ অনুমানে আমরা কিছু মানুষকে মরতে দেখে সকল মানুষের মৃত্যু সম্বন্ধে অনুমান করি, অর্থাৎ 'মরণশীলতা' গুণটিকে সমগ্র মানবজাতির ক্ষেত্রে স্বীকার করে 'সকল মানুষ হয় মরণশীল'- এ সার্বিক যুক্তিবাক্যটি স্থাপন করি। তেমনি আরোহ অনুমানে আমরা গুটিকয়েক বিশেষ দৃষ্টান্ত পরীক্ষা করেই একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত অনুমান করি। আবার আরোহ অনুমানে আমরা আমাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে অনুমানের আশ্রয়বাক্য সংগ্রহ করি এবং তারই ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত অনুমান করি। তা ছাড়া আরোহ অনুমানে যে সার্বিক সিদ্ধান্তটি স্থাপন করা হয় তা নির্ভর করে কয়েকটি বিশেষ দৃষ্টান্ত পর্যবেক্ষণের ওপর। অভিজ্ঞতার সাহায্যে আমরা বাস্তব জগতের বিশেষ বিশেষ ঘটনা সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করি। এ বাস্তব জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে আমরা শেষ পর্যন্ত একটি সার্বিক সিদ্ধান্ত অনুমান করি। যেমন- রহিম, করিম প্রভৃতি কয়েকজন ব্যক্তি মানুষের মৃত্যুর বাস্তব ঘটনাকে প্রত্যক্ষ করে আমরা সকল মানুষের মরণশীলতা অনুমান করি।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, আরোহ অনুমানের বৈশিষ্ট্যগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।

5 views

Related Questions