1 Answers

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদি সুফল লাভের উদ্দেশ্যে অধ্যক্ষ কর্তৃক গৃহীত পরিকল্পনাটি হলো স্থায়ী পরিকল্পনা।

যে পরিকল্পনা প্রতিষ্ঠানে একবার গৃহীত হওয়ার পর নতুন কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ বা নতুন কোনো অবস্থা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত তা বারবার প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়, তাকে স্থায়ী পরিকল্পনা বলে।

উদ্দীপকে কলেজের অধ্যক্ষ কলেজ পরিচালনার জন্য পরবর্তীতে স্থায়ী পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন, যা প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘমেয়াদি সুফল অর্জন করতে পারবে। স্থায়ী পরিকল্পনার ক্ষেত্রে প্রথমে একটু সমস্যা দেখা দিলেও প্রবর্তীতে এ পরিকল্পনার অধীনে কর্মীরা কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। স্থায়ী পরিকল্পনা যেহেতু একবারমাত্র গ্রহণ করা হয়, সেহেতু একার্থক পরিচালনার তুলনায় এ পরিকল্পনার ব্যয়ও কম হয়। অর্থাৎ স্থায়ী পরিকল্পনার মাধ্যমে মিতব্যয়িতা অর্জন করা যায়। স্থায়ী পরিকল্পনায় কাজের নির্দিষ্ট নীতি ও পদ্ধতি অনুসৃত হয়। এতে করে কাজের নির্দিষ্ট মান রক্ষা করা যায়। অর্থাৎ স্থায়ী পরিকল্পনা পুনঃপুন ব্যবহার করা যায় বলে প্রতিষ্ঠানের অর্থ, শ্রম ও সময়ের অপচয় রোধ করে ফলে কর্মীরা কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

পরিশেষে বলা যায় যে, সুষ্ঠু পরিকল্পনা ব্যতীত কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম দক্ষতা ও কার্যকরভাবে পরিচালনা সম্ভব হয় না। সঠিক পরিকল্পনা একটি প্রতিষ্ঠানকে উন্নতির সর্বোচ্চ স্তরে পৌছে দিতে পারে।

4 views

Related Questions