1 Answers
প্রতিবর্তনের মাধ্যমে আশ্রয়বাক্যের অর্থ এবং গুণ পরিবর্তন করে সিদ্ধান্ত অনুমান করা হয়। প্রতিবর্তনের এই নীতি অবলম্বন করে A, E, 1 এবং ০ যুক্তিবাক্যগুলো বৈধ বলে প্রতীয়মান হয়। উদ্দীপকের ২য় বাক্য হলো E 'যুক্তিবচন'। E বচন সার্বিক নঞর্থক হলে এর প্রতিবর্তন বৈধ বলে প্রমাণিত হবে। আমরা জানি, E-বাক্য সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য। এজন্য এর সিদ্ধান্ত হবে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য অর্থাৎ E-যুক্তিবাক্যের সিদ্ধান্ত হবে A-যুক্তিবাক্য। E এবং A-যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ একই হবে, কিন্তু বিধেয় পদ পরস্পর বিরুদ্ধ হবে। যেমন-
E – 'কোনো মানুষ নয় নিখুঁত' (প্রতিবর্তনীয়)।
A – 'সকল মানুষ হয় অনিখুঁত' (প্রতিবর্তিত)।
উপরের উদাহরণ থেকে দেখা যায় যে, E-বাক্য ও A-বাক্যের উদ্দেশ্য পদ একই হয়েছে। কিন্তু বিধেয় পদ পরস্পর বিরুদ্ধ হয়েছে। এছাড়াও প্রতিবর্তনীয় ও প্রতিবর্তিতের গুণের পরিবর্তন হয়েছে অর্থাৎ প্রতিবর্তনীয় নঞর্থক হওয়ায় প্রতিবর্তিত সদর্থক হয়েছে কিন্তু পরিমাণ একই বা অভিন্ন রয়েছে। এর ফলে E-বাক্য সার্বিক হওয়ায় A-যুক্তিবাক্যও সার্বিক হয়েছে। সুতরাং E-বাক্যের প্রতিবর্তন বৈধ বলে প্রতিপন্ন হয়েছে।