1 Answers
যে অমাধ্যম অনুমানে ন্যায়সংগতভাবে একটি প্রদত্ত বাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের স্থান পরিবর্তন করে একটি নতুন সিদ্ধান্ত গঠন করা হয় তাকে আবর্তন- বলে। উদ্দীপকে সালাউদ্দিনের বর্ণিত ২য় যুক্তিবাক্য হলো 'E' এবং ৩য় যুক্তিবাক্য হলো 'I'। A, E, I ও O যুক্তিবাক্যে E এবং । যুক্তিবাক্য উভয় বৈধ আবর্তিত যুক্তিবাক্য হবে যথাক্রমে ৪ এবং 1 যুক্তিবাক্য। E- বাক্যকে আবর্তন করলে E বাক্য পাওয়া যায়। E যুক্তিবাক্য নঞর্থক বলে এর আবর্তিতও হবে নঞর্থক যুক্তিবাক্য। অর্থাৎ E অথবা । কিন্তু E বাক্যের আবর্তিত হতে পারে না। কারণ ০ যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য হলেও উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য। কাজেই আবর্তিত নঞর্থক যুক্তিবাক্য E হলে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য হতে পারে। এজন্য E যুক্তিবাক্যের আবর্তিত হবে E যুক্তিবাক্য। যেমন-
E - 'কোনো মানুষ নয় পশু' (আবর্তনীয়)।
E- 'কোনো পশু নয় মানুষ' (আবর্তিত)।
E-যুক্তিবাক্যকে E-যুক্তিবাক্যে আবর্তন করায় আবর্তনের সকল নিয়মই অনুসৃত হয়েছে, কোনো নিয়ম লঙ্ঘিত হয়নি। কাজেই E. যুক্তিবাক্যের বৈধ আবর্তিত যুক্তিবাক্য হবে E বাক্য। অন্যদিকে, I-যুক্তিবাক্যকে আবর্তন করলে । যুক্তিবাক্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ । যুক্তিবাক্যের আবর্তিত হবে। যুক্তিবাক্য। যেহেতু। যুক্তিবাক্যটি একটি সদর্থক যুক্তিবাক্য সে কারণে তার আবর্তিত যুক্তিবাক্যও হবে সদর্থক। অর্থাৎ আবর্তিত যুক্তিবাক্য A অথবা । যুক্তিবাক্য হবে। কিন্তু 1 যুক্তিবাক্যের আবর্তিত A হতে পারে না। A হলে আবর্তনের চতুর্থ নিয়ম লঙ্ঘিত হয়, কারণ । যুক্তিবাক্যের উভয়পদই অব্যাপ্য। তাই আবর্তিত যুক্তিবাক্যের উভয়কেই অব্যাপ্য রাখতে হবে। এজন্য । যুক্তিবাক্যের আবর্তিত হবে। যুক্তিবাক্য। যেমন-
1 - কিছু মানুষ হয় শিক্ষক (আবর্তনীয়)।
1- কিছু শিক্ষক হয় মানুষ (আবর্তিত)।
এখানে আবর্তনের সবগুলো নিয়মই পালিত হয়েছে। তাই । যুক্তিবাক্যের বৈধ আবর্তিত হবে । যুক্তিবাক্য।