1 Answers
বিধেয় ও বিধেয়কের মধ্যকার পার্থক্য হলো: বিধেয় একটা পদ কিন্তু বিধেয়ক একটা পদ নয়। বিধেয়ক হচ্ছে উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে সম্পর্কের নাম। সদর্থক ও নঞর্থক দু'ধরনের যুক্তিবাক্যেই বিধেয় থাকে। কিন্তু বিধেয়ক হলো সম্পর্কের নাম। তাই নঞর্থক যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক থাকে না। একটা যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ বিশিষ্ট পদ হতে পারে। কিন্তু কোনো যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ শ্রেণিবাচক না হয়ে বিশিষ্ট পদ হলে সে যুক্তিবাক্যে বিধেয়ক থাকে না। যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য সম্পর্কে যে পদ কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে, তাকে বলা হয় বিধেয়। অপরপক্ষে সদর্থক যুক্তিবাক্যে শ্রেণিবাচক বিধেয় পদের সাথে উদ্দেশ্যের যেসব সম্পর্ক হতে পারে সেগুলোকে বলা হয় 'বিধেয়ক'।
উপলক্ষণ: যে গুণ কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয়, অথচ পদটার জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাকে উপলক্ষণ বলে। যেমন- মানুষের 'বিচারশক্তি' গুণটা মানুষ শ্রেণির বা উপজাতির একটা উপলক্ষণ। উপলক্ষণ দু'ধরনের হতে পারে। যথা-
১. জাতিগত উপলক্ষণ এবং
২. উপজাতিগত উপলক্ষণ।
জাতিগত উপলক্ষণ: যে উপলক্ষণ একটা শ্রেণির আসন্নতম জাতির জাত্যর্থ থেকে নিঃসৃত হয় তাকে 'জাতিগত উপলক্ষণ' বলে। যেমন- ক্ষুধা বা তৃষ্ণা মানুষের জাতিগত উপলক্ষণ।
উপজাতিগত উপলক্ষণ: যে উপলক্ষণ কোনো উপজাতির বিভেদক লক্ষণ বা নিজস্ব গুণ থেকে নিঃসৃত হয় তাকে উপজাতিগত উপলক্ষণ বলে। যেমন- বিচার ক্ষমতা মানুষের উপজাতিগত উপলক্ষণ।