1 Answers

উদ্দীপকে বাঁধনের মতে, পদ হচ্ছে যুক্তিবাক্যের অংশ। এক্ষেত্রে যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি অন্য কোনো শব্দের সাহায্য না নিয়ে সম্পূর্ণ নিজে নিজেই কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হয় বা হতে পারে সে শব্দ বা শব্দসমষ্টিকে 'পদ' বলে। অন্যদিকে শব্দ হচ্ছে এমন একটি কণ্ঠধ্বনি যা মনের কোনো ধারণার প্রতিনিধিত্ব করে বা ধারণাকে ব্যক্ত করে। আর এ শব্দসমষ্টির সমন্বয়ে যখন আমাদের মনের কোনো ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়, তখন তা হয় বাক্য। কাজেই যুক্তিবাক্যগুলোও স্বাভাবিকভাবেই শব্দ সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু যুক্তিবাক্য শব্দ সমন্বয়ে গঠিত হলেও তার প্রতিটি শব্দ পদ নয়। কারণ সব শব্দই কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হতে পারে না। যে শব্দ অন্য কোনো শব্দের সাথে যুক্ত না হয়ে নিজে নিজেই কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হতে পারে তাকে পদযোগ্য শব্দ বলে। যমন: মানুষ, ফুল, বই, মাছ ইত্যাদি। সুতরাং সকল পদযোগ্য শব্দই পদ বলে বিবেচিত। যে শব্দ সর্বদা অন্য শব্দ বা পদযোগ্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়েই শুধু যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হতে পারে তাকে সহ-পদযোগ্য শব্দ বলে। যেমন: যে, টি, এর, খানি, সাথে, যদি ইত্যাদি শব্দগুলো একমাত্র পদযোগ্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদে পরিণত হতে পারে। অন্যদিকে যে শব্দ কখনই কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয়রূপে ব্যবহৃত হতে পারে না তাকেই পদ নিরপেক্ষ শব্দ বলে। অর্থাৎ পদ নিরপেক্ষ শব্দ এককভাবে কিংবা পদযোগ্য শব্দের সাথে যুক্ত হয়েও পদ হতে পারে না। যেমন: আহা, দিদি, সাবাশ, মরিমরি, হুরবে ইত্যাদি।

4 views

Related Questions