1 Answers

দূষণরোধের জন্য রবিন ফার্মাসিউটিক্যাল লি. বর্জ্য শোধন যন্ত্র বসানোর পদক্ষেপ নিতে পারে।

যে যন্ত্রের মাধ্যমে কারখানার বর্জ্য পদার্থকে পরিশোধন করে অপসারণ করা হয় তাকে বর্জ্য শোধন যন্ত্র বলে। বাংলাদেশে বর্জ্য শোধন যন্ত্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া শিল্পকারখানা অনুমোদন না দেওয়ার বিধান থাকলেও তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। ফলে কারখানার নির্গত তরল বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছে। এর ফলে প্রাণীর জীবন ও পরিবেশ হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। নদীতে বর্জ্য ফেলার দরুন নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। এর ফলে আশেপাশে বসবাসরত মানুষ সেই পানি ব্যবহার করে রোগাক্রান্ত হচ্ছে। আশেপাশের বায়ু দূষিত হচ্ছে। অথচ যদি প্রতিটি শিল্পকারখানায় বর্জ্য শোধন যন্ত্র থাকে তাহলে তরল বর্জ্য পরিশোধন করে নদীতে ফেলা হলে নদীর পানি দূষণ হওয়ার সম্ভবনা থাকে না।

উদ্দীপকে রবিন ফার্মাসিউটিক্যাল লি.-এর কারখানাটি পদ্মা নদীর ধারে অবস্থিত। কারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি নদীর পানির সঙ্গে মিশছে এতে নদীর পানি ও এলাকার বায়ু দূষিত হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পানি ও এলাকার বায়ুদূষণরোধে কারখানায় বর্জ্য শোধনাগার যন্ত্র বসানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। তাহলে কারখানার অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি নদীতে অপসারিত না হয়ে বরং পরিশোধনের মাধ্যমে অপসারিত হবে। এতে করে পানি ও এলাকার বায়ুদূষণ রোধ করা সম্ভব হবে।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে দূষণরোধের জন্য রবিন ফার্মাসিউটিক্যাল লি. বর্জ্য শোধন যন্ত্র বসানোর পদক্ষেপ নিতে পারে।

4 views

Related Questions