1 Answers

উদ্দীপক অনুযায়ী আমরা বলতে পারি যে, জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নীতিবিদ্যার গুরুত্ব আছে। নৈতিক আদর্শের উপর ভিত্তি করে ব্যবসায় ও পেশাগত জীবনে নীতিগতভাবে স্বচ্ছ থাকা যায়। আমাদের পেশাগত জীবনে, ব্যবসায়-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কীভাবে কল্যাণ লাভ করা যায় এবং এর মাধ্যমে জীবনের স্বার্থকতা আনয়ন করা যায় তা নীতিবিদ্যার আলোচ্যবিষয় হিসাবে পরিগণিত। ব্যবসায়-বাণিজ্যে ও অন্যান্য পেশায় সমস্ত সিদ্ধান্ত যদি কল্যাণমুখী হয় তবে মানুষের জীবনে দুর্ভোগ অনেকাংশে কমে যাবে। একজন ব্যবসায়ী যদি অস্বাভাবিক মুনাফা লাভের চিন্তা না করেন, পণ্যের ভেজাল মেশানোর চিন্তা না করেন, ওজনে কম দেওয়ার চিন্তা না করেন, কর ফাঁকি না দেন তবে সাধারণ মানুষসহ রাষ্ট্রের কল্যাণ হবে। চাতুর্যময় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষের সরলতার সুযোগ নেওয়া শুধু নীতিগর্হিত কাজ নয়, এটা সামগ্রিক অকল্যাণও বটে। আর এই কারণে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নিতে হবে কল্যাণমুখী ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান যাতে সচ্ছ থাকে তার প্রতি লক্ষ রাখতে হবে। তাই ব্যবসায় নীতিবিদ্যা কল্যাণমুখী বিদ্যা হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ। পেশাগত জীবনেও নীতিবিদ্যা গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক পেশাজীবীই নৈতিক দায়বদ্ধতা আছে। মানুষ তার কাজের জন্য গোটা মানবজাতির কাছে দায়বদ্ধ। পুলিশের কথায় ধরা যাক, এ বিভাগের কাজ হচ্ছে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন। কিন্তু পুলিশ এগুলির যদি পৃষ্ঠপোষকতা করে তবে তা নীতি বহির্ভূত কর্মকাণ্ড হবে এবং সকলের জন্য অকল্যাণ ডেকে আনবে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, নীতিবিদ্যা পেশাগত বা ব্যবসায় ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নীতি না থাকলে সেখানে অকল্যাণ আসবে এটা বলা যায়।

7 views

Related Questions