1 Answers

যে বিদ্যা পাঠ করলে যুক্তি সম্পর্কীয় জ্ঞান অর্জন করা যায় তাকে যুক্তিবিদ্যা বলে। যুক্তিবিদ্যা মূলত বৈধ যুক্তি ও অবৈধ যুক্তির মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করে থাকে এবং সঠিক নিয়ম-কানুন সম্পর্কে জ্ঞানদান করে। এর ফলে মানুষ তার বাস্তব জীবনে বিভিন্ন আচরণের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করে ত্রুটিপূর্ণ আচরণ পরিহার করতে শেখে এবং বাস্তবতার সাথে খাপ খাইয়ে চলতে' পারে। কাজেই দৈনন্দিন জীবনে যুক্তিবিদ্যা পাঠের যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ বিষয়গুলো উদ্দীপকে বর্ণিত আবিদের ক্ষেত্রেও লক্ষণীয়। এছাড়া যুক্তিবিদ্যা মানুষের ভাবাবেগ ও উচ্ছ্বাসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং যথাযথ বিচার-বিশ্লেষণ দ্বারা সত্য জ্ঞানকে অনুসন্ধান করতে সাহায্য করে। যুক্তিবিদ্যা মানুষের মানসিক নিয়মানুবর্তিতা বৃদ্ধি করে, মানুষের ধীশক্তি ও মেধাশক্তি প্রখর করে। ফলে মানুষ যেকোনো কঠিন ও জটিল সমস্যার সমাধান খুঁজে পায়। মানুষ বস্তু বিষয়ের পাশাপাশি বস্তুনিরপেক্ষ বিষয় যেমন- আত্মা, আত্মার অমরত্ব, দেশ, কাল ইত্যাদি সম্পর্কে চিন্তা করতে সমর্থ হয়। বিশুদ্ধ ও সত্য জ্ঞান লাভের জন্য যুক্তিবিদ্যা যুক্তির মৌলিক নিয়মাবলিকে প্রয়োগ করে এবং বিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়কে বাস্তবতার উপযোগী করে তোলে। যুক্তিবিদ্যা জ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি হিসাবে কাজ করে বলে বিজ্ঞানী, দার্শনিক, ধর্মতত্ত্ববিধ, সাধারণ মানুষ সবার জন্য যুক্তিবিদ্যার জ্ঞান একান্ত প্রয়োজনীয়। কাজেই বলা যায়, "যুক্তিবিদ্যা মানুষের এক উত্তম সাহচার্য।"

6 views

Related Questions