1 Answers
উদ্ভিদের অভিযোজন সম্পর্কিত শামীম স্যারের বক্তব্যটি হলো, প্রস্বেদন হার কমিয়ে উদ্ভিদ খরা মোকাবেলায় অভিযোজিত হতে পারে। নিম্নলিখিত উপায়ে প্রস্বেদন হার কমিয়ে উদ্ভিদ খরা মোকাবেলা করে-
i. পত্ররন্দ্র খোলা থাকলে প্রস্বেদন বৃদ্ধি পায় আর পত্ররন্ধ্র বন্ধ থাকলে প্রস্বেদন কমে। প্রস্বেদন হার কমাতে প্রয়োজনে উদ্ভিদ পত্ররন্ধ্র বন্ধ করে দেয়।
ii. পাতার ওপর লিপিড বা মোমের আস্তরণ থাকলে প্রস্বেদন হার কমে। যেমন: সয়াবিন উদ্ভিদ প্রভাবে অভিযোজিত হয়।
iii. পাতার আকার হ্রাস পেলে পাতায় পত্ররন্দ্রের পরিমাণ কমে। ফলে প্রস্বেদন হার কমে। যেমন- গোমটর।
iv. খরার মাত্রা বৃদ্ধি পেলে অনেক উদ্ভিদ নিচ থেকে পাতা ঝরিয়ে ফেলে। এতে পত্ররন্দ্রের পরিমাণ কমে এবং প্রস্বেদন হার হ্রাস পায়। যেমন- তুলা, চিনাবাদাম ইত্যাদি।
প্রস্বেদন হার কমলে উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তরের পানির অপচয় হ্রাস পায়। ফলে উদ্ভিদ খরার সময়েও অনেকদিন বেঁচে থাকতে পারে। তাই শামীম স্যারের বক্তব্যটি যথার্থ।