1 Answers
রেশম চাষ এক ধরনের বায়ো-এগ্রো শিল্প। তাই বলা যায় মালেক রেশম শিল্পের সাথে জড়িত।
যে পদ্ধতিতে রেশমি তন্তু উৎপাদনে রেশম পোকার খাদ্য সরবরাহের জন্য তুঁত বা অন্যান্য গাছ চাষ করা হয় এবং পলু পালন করে তাদের সৃষ্ট গুটি থেকে তন্তু আহরণ করা হয় সংক্ষেপে তাকে রেশম চাষ বলে। রেশম চাষে যুক্ত থাকে কিছু মানুষের শ্রম, তুঁত বৃক্ষের অবদান এবং রেশম পোকার আত্মত্যাগ। রেশম পোকার বিভিন্ন প্রজাতিসমূহের মধ্যে Bombyx mori এবং তাদের খাদ্যের জন্য তুঁত গাছ রেশম চাষে বেশি ব্যবহৃত হয়। তুঁত চাষ ও পলু পালন ছাড়াও রেশম পোকার বিভিন্ন জাতের মধ্যে ব্রীজিং করে অধিক উৎপাদনশীল জাতের রেশম পোকা তৈরি করা আধুনিক রেশম চাষের অন্তর্ভুক্ত। রেশম একটি জৈবিক কাঁচামাল বা কৃষি কাঁচামাল শিল্প। পোকা, গাছ, মাটি ও পরিবেশ সমন্বয়ে এ কার্যক্রম বিস্তৃত বলে এটি বর্তমানে কৃষি খাতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও সামাজিক পরিবেশ এ শিল্পের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষি ও শিল্প এ দুটির সমন্বয়ে রেশম কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তুঁত চাষ, রেশম পোকা পালন, রেশম গুটি উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ প্রভৃতি কাজ কৃষি পর্যায়ভুক্ত। পক্ষান্তরে রিলিং, থ্রোয়িং টুইস্টিং, বয়ন, রং ও ছাপা এবং রেশম বস্ত্র ফিনিশিং প্রভৃতি কাজ শিল্প পর্যায়ভুক্ত।
পরিশেষে বলা যায়, রেশম চাষ বাংলাদেশে একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচিত। সুতরাং এই এগ্রো-বায়ো শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।