1 Answers
কম লভ্যাংশ পেলে ও মি. মারমার ক্রয়কৃত শেয়ার কোম্পানির প্রকৃত মালিকানার নির্দেশক কেননা মি. মারমার শেয়ার হলো সাধারণ শেয়ার।
আইনানুযায়ী যে শেয়ারের মালিকগণ অধিকার, দায়িত্ব কর্তব্যের বিভিন্ন দিক বিচারে অধিক সুবিধা ও মর্যাদাভোগ করলে ও লভ্যাংশ বণ্টনে ও কোম্পানি বিলোপের সময় মূলধন প্রত্যাবর্তনে অগ্রাধিকার পায় না তাকেই সাধারণ শেয়ার বলে।
সাধারণ শেয়ারের মালিকগণ পরিচালক নির্বাচনে প্রার্থী হতে ও নির্বাচনে ভোট দিতে পারে। এ ধরনের শেয়ার মালিকদের লভ্যাংশের হার নির্দিষ্ট থাকে না। পক্ষান্তরে; যে শেয়ারের মালিকগণ লভ্যাংশ প্রাপ্তিতে ও মূলধন প্রত্যাবর্তনে অন্যান্য শেয়ার মালিকগণের চেয়ে অগ্রাধিকার পায় তাকেই অগ্রাধিকারযুক্ত শেয়ার বলে। কোম্পানিতে মুনাফা হলে এরূপ শেয়ার মালিকগণ নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ প্রাপ্ত হয়ে থাকে। তবে এদের ভোটাধিকার থাকে না। সাধারণভাবে এদেরকে শেয়ারহোল্ডার বলা হলেও এরা অনেকটা বিনিয়োগকারী পাওনাদার। আর কোম্পানির মূল মালিক হলেন সাধারণ শেয়ারহোল্ডারগণ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, অগ্রাধিকার শেয়ারের একজন মালিক মি. সাবুর কোম্পানির অর্জিত মুনাফার ওপর ১০% লভ্যাংশ পেলেও সাধারণ শেয়ার ক্রেতা মি. মারমা মাত্র ৫% লভ্যাংশ প্রাপ্ত হন। মি. মারমা সাধারণ শেয়ারহোল্ডার বিধায় তিনি কোম্পানির অর্জিত মুনাফা অগ্রাধিকার শেয়ারহোল্ডার ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে বণ্টনের পরে পেয়ে থাকেন। মি. মারমার ভোটাধিকার কিংবা পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার অধিকার থাকলেও মি. সবুরের ভোটাধিকার যা পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার অধিকার নেই। কেননা কোম্পানির মূল মালিকদেরই ভোটাধিকার থাকে। যেহেতু মি. মারমা সাধারণ শেয়ারহোল্ডার এবং তার ভোটাধিকার রয়েছে এবং পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার বা পরিচালক নির্বাচিত করার অধিকার রয়েছে। তাই বলা যায়, মি. মারমা, কম লভ্যাংশ পেলেও ক্রয়কৃত সাধারণ শেয়ার কোম্পানির প্রকৃত মালিকানার নির্দেশক।