1 Answers

উদ্দীপকের ক্লাসমেটরা প্রামাণ্য কিছু অর্থাৎ অংশীদারি চুক্তিপত্র প্রণয়ন করবে বলে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা যৌক্তিক।

চুক্তিই অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি। চুক্তি ছাড়া অংশীদারি ব্যবসায় গঠন করা যায় না। কারণ অংশীদারি চুক্তিপত্র এ ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ দিক-নির্দেশনা প্রদান করে। তাই ভবিষ্যতে অংশীদারদের মধ্যে যাতে ঝগড়া-বিবাদ না হয় সেজন্য কে কতটুকু মূলধন সরবরাহ করবে, লাভ লোকসান কিভাবে বণ্টন করা হবে ইত্যাদি বিস্তারিতভাবে উল্লেখপূর্বক চুক্তি সম্পাদন করতে হয়।

উদ্দীপকে পিংকি, শাকিলা ও খালেদ সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গঠন করলেও পরবর্তীতে তাদের মধ্যে নানান বিষয়ে সমস্যা ও বাধা বিপত্তির সৃষ্টি হয়। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিল শুধু কথায় উপরে না চলে অংশীদারদের মধ্যে বৈধ চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। কারণ অংশীদারদের মধ্যে কোনো বিষয়ে বিরোধ দেখা দিলে চুক্তিপত্রে লিখিত নিয়ম লিপিবদ্ধ থাকায় যাবতীয় বিষয়ের সুষ্ঠু মীমাংসা করা সম্ভব হয়। অংশীদারি চুক্তিপত্রের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করলে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয় না। তাই ক্লাসমেটরা প্রামাণ্য কিছু করবে বলে অংশীদারি চুক্তিপত্র তৈরি করে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করেন।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের ক্লাসমেটরা প্রামাণ্য কিছু অর্থাৎ অংশীদারি চুক্তিপত্র প্রণয়ন করবে বলে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা যৌক্তিক।

4 views

Related Questions