1 Answers
সোবহান সাহেবের প্রদর্শিত খামারটি ছিল গবাদিপশুর খামার। উক্ত খামার বাংলাদেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যেমন- কৃষিকাজে ও খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখে। গবাদিপশু কৃষিকাজের বিভিন্ন ধাপ যেমন- জমি চাষ, ফসল মাড়াই ইত্যাদি কাজে সাহায্য করে। ফলে চাষ খরচ কমে যায়। আবার গবাদিপশু থেকে উৎপাদিত পণ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন খামার গড়ে উঠেছে। যেমন- ডেইরি খামার, মাংস ও মাংসজাত শিল্প, হাড় প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণে ট্যানারি শিল্প, চামড়া দ্বারা তৈরি ব্যাগ, স্যুটকেস, কোট তৈরির ফ্যাক্টরি ইত্যাদি। এগুলো কৃষি শিল্পে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে।
শুধু দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য বিভিন্ন ডেইরি ফার্ম এবং গরু মোটাতাজাকরণ ও ছাগল খামার শিল্প হিসেবে গড়ে উঠেছে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। আবার মাঠ থেকে ফসল বয়ে আনার জন্য, হাট-বাজারে বিভিন্ন পণ্য পরিবহন ইত্যাদি কাজে গবাদিপশু ব্যবহৃত হয়, যা পরিবহন খরচ কমিয়ে দেয়। গবাদিপশুর গোবর পুকুরে বা বদ্ধ জলাশয়ে মাছের খাদ্য তৈরিতে ব্যবহার করলে খাদ্য খরচ কমে যায়।
অতএব বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সোবহান সাহেবের প্রদর্শিত খামারের গুরুত্ব অপরিসীম।