1 Answers
নোমান ও অমল মুরগি পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং খামারের বর্জ্যগুলো পচিয়ে ফসলের জমিতে ব্যবহার করেন।
পোল্ট্রি পালনের মাধ্যমে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও কর্মসংস্থান হয়। আয় বৃদ্ধি পায় এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়। উন্নত জাতের মুরগি পালনের মাধ্যমে নোমান ও অমল লাভবান এবং ঋণকৃত অর্থ অল্প সময়ে পরিশোধে সমর্থ হন।
জমি বা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের জন্য নিয়মিত জৈব সার প্রয়োগ করতে হয়। জৈব সার মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়, মাটিস্থ উপকারী অণুজীবকে ক্রিয়াশীল রাখে, মাটির ভৌত ও রাসায়নিক গুণাবলি উন্নত করে। জৈব সার ব্যবহারে রাসায়নিক সারের পরিমাণ কম লাগে ফলে উৎপাদন খরচ কমে। উপরন্তু জৈব সার পরিবেশবান্ধব। জৈব সার হিসেবে পোল্ট্রির বর্জ্য বেশ উৎকৃষ্ট ও উপযোগী। কাজেই খামারের বর্জ্যগুলো ফসলের জমিতে ব্যবহারের ফলে পরিবেশ দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন থাকবে। উপরন্তু জমির উর্বরতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
সুতরাং এই আলোচনা থেকে বলা যায়, নোমান ও অমলের উদ্যোগটি যথার্থ।