1 Answers

হ্যাঁ, আমি আহসানের বক্তব্য সমর্থন করি। মুনাফিকদের কাছে কোনো আমানত রাখা হলে তারা তা আত্মসাৎ করে। তারা যেমন কোনো কথার নিরাপত্তা দেয় না, তেমনি তারা সম্পদের হেফাজত করে না। এমনকি তারা মানুষের সম্মান ও ইজ্জতের হেফাজত করে না। ফলে তাদের ওপর আস্থা রাখা যায় না। মহানবি (স) মুনাফিকের তিনটি লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন যথা: ১. মিথ্যা বলা ২. ওয়াদা ভঙ্গ করা ৩. আমানতের খিয়ানত করা। এ তিনটি লক্ষণ তিনটি বিপর্যয়ের পরিস্ফুটিত করে তোলে যথা মিথ্যা বলা কথার বিপর্যয়, ওয়াদা ভঙ্গ করা মনের বিপর্যয় আর আমানতের খিয়ানত করা মানসিকতার বিপর্যয়। তিন দিকের এ তিনটি বিপর্যয় থেকে মুক্ত থাকলে মানুষের সামগ্রিক চরিত্র নিষ্কলুষ হয়ে ওঠে।

রাকিব হাসান অর্থের বিনিময়ে অফিসের গোপন তথ্য বা ফাইল পাচার করে বা ফাঁস করে। কিন্তু তার সহকর্মী আহসান অফিসের সর দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে অর্থাৎ তিনি ইসলামের বিধান মেনে চলেন। আর এ কারণেই তিনি রাকিব হাসানের অন্যায়কে সমর্থন করেননি। বরং তাকে মুনাফেকি থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। কারণ তিনি জানেন কিয়ামতে মুনাফিকদের অবস্থান হবে জাহান্নামের তলদেশে। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে- 'নিশ্চয়ই মুনাফিকদের স্থান হবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে' (আন নিসা-১৪৬)। এ পরিপ্রেক্ষিতে আহসানের বক্তব্য সম্পূর্ণ সঠিক।

5 views

Related Questions