1 Answers

দুই বন্ধুর মধ্যে আমি আলমের বক্তব্যকে সমর্থন করব। মহানবি (স) এর জীবদ্দশায় সাহাবিগণ যেকোনো সমস্যার সমাধান তাঁর কাছ থেকে পেতেন। মহানবি (স) এর কাছে উক্ত সমস্যার সমাধান না থাকলে ওহির মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা তার সমাধান জানিয়ে দিতেন। তাই ঐ সময়ে ফিকহশাস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়নি। তবে উক্ত পদ্ধতি বা কার্যক্রমকে ফিকহশাস্ত্রের সূচনা ধরা হয়। ফিকহর প্রথম ও প্রধান উৎস হচ্ছে কুরআন মাজিদ। ইসলামের প্রচার ও প্রসারের সময় রাসুলুল্লাহ (স) যখন যে সমস্যায় পড়তেন আল্লাহ কুরআন নাজিল করে তার সুষ্ঠু সমাধান দিতেন।

রাসুলুল্লাহ (স) এর জীবদ্দশায় নতুন নতুন সমস্যা সমাধানের যে সহজ ও স্বাভাবিক পন্থা ছিল, তাঁর ইন্তেকালে তা বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি নতুন নতুন সভ্যতা, জাতি ও সংস্কৃতি ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নেয়ায় আরও নতুন নতুন সমস্যা ও সংকট সৃষ্টি হয়। সাহাবা-ই-কিরাম কুরআন-সুন্নাহর ওপর নির্ভর করে বুদ্ধিভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এসব সমস্যার সমাধান দেন। পরবর্তীকালে তাদেরকে ফকিহ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাদের এসব মাসালা-মাসায়েলও তাবেয়িগণের সময় গ্রন্থকারে লিপিবদ্ধ হয়। আর এই শাস্ত্রই হলো ফিকহশাস্ত্র। এখন উদ্দীপকে দুই বন্ধুর মধ্যে আলম ফিকহশাস্ত্র সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখে। অন্যদিকে রুহুল আমিন পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় ফিকহশাস্ত্রকে বিদআত মনে করে, যা সঠিক নয়।

পরিশেষে বলা যায়, ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে আলমের বক্তব্যটি যথার্থ। তাই আমি আলমের বক্তব্যকে সমর্থন করি।

5 views

Related Questions