1 Answers

আমার মতে, বড় দোকান দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ামত হোসেনের করণীয় হলো তাঁর ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে পুঁজি সংগ্রহ করা।

একমালিকানা ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মালিকের মূলধন প্রদানের সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয়। তবে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে যখন অধিক মূলধনের প্রয়োজন দেখা দেয় এবং উদ্যোক্তার পক্ষে নিজস্ব তহবিল থেকে এ মূলধন যোগাড় করা সম্ভব হয় না, তখন তাকে ব্যাংক ঋণ বা অন্যান্য বাহ্যিক উৎস থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে হয়।

উদ্দীপকের নিয়ামত হোসেন ১০ বছর ধরে চট্টগ্রাম শহরে একটি মুদি দোকান চালাচ্ছেন। গ্রাহকের সাথে তার সম্পর্ক ভালো। যুক্তিসঙ্গত দামে গ্রাহকের রুচি অনুযায়ী পণ্য বিক্রি করেন। প্রতিযোগিতার মধ্যেও তাঁর গ্রাহক বেড়েছে। এখন তিনি বড় আকারের দোকান দেওয়ার কথা ভাবছেন। এজন্য তাঁর অধিক টাকার প্রয়োজন। তিনি তাঁর বন্ধুকে অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করলে একদিকে যেমনি তার ব্যক্তিগত ইমেজ বিক্রির পুঁজিতে বাধাগ্রস্ত হতে পারে, তেমনি ব্যবসায়ের সাংগঠনিক কাঠামো ও স্বাধীন পরিচালনা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। পক্ষান্তরে, তিনি ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে পুঁজি সরবরাহ করলে তিনি ব্যবসায় সম্প্রসারণের সুযোগ পাবেন। ফলে ব্যবসায়ে অধিকতর লাভ অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সর্বোপরি, তিনি স্বাধীনভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করতে পারবেন। তাই আমার মতে, বড় দোকান দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ামত হোসেনের করণীয় হলো ব্যাংক ঋণের মাধ্যমে পুঁজি সংগ্রহ করা।

4 views

Related Questions