1 Answers

উদ্দীপকের রুমি তার জমিতে লতাপাতা, খড়কুটা, রান্নার উচ্ছিষ্টাংশ দিয়ে জমি ঢেকে রাখেন যা মালচিংয়ের কাজ করে।

ভূমির উপরিতল ঢেকে রেখে মাটি ও রস অপসারন হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করাকে মালচিং বলা হয়। প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম মালচিং দ্বারা ভূমি সংরক্ষণ করা যায়। যেমন- মাটির উপরিস্তর সামান্য আলগা থাকলে এবং আইলগুলো উঁচু-নিচু থাকলে জমি সমতল হয়ে ভূমি সংরক্ষণ হয়। তবে কৃত্রিম পদ্ধতিতে মালচিং করা হলে ভূমি সংরক্ষণসহ উর্বরতা বৃদ্ধি পায়, রস ও মাটির তাপমাত্রা সংরক্ষণ হয়। কৃত্রিম মালচিং-এ দুই ধরনের পদার্থ ব্যবহার করা হয়। যথা- জৈব ও অজৈব। জৈব পদার্থ হচ্ছে খড়কুটা, আবর্জনা, রান্নাঘরের উচ্ছিষ্টাংশ, কাঠের গুঁড়া, ছাই ইত্যাদি। আর অজৈব পদার্থ হচ্ছে কাঠের তক্তা, পলিথিন ইত্যাদি। জৈব পদার্থ দ্বারা মালচিং করলে পানির অনুপ্রবেশ ঘটে ও আর্দ্রতা সংরক্ষণ হয় যা ফসলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়া জৈব পদার্থ পচে ফসলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান মাটিতে যোগ করে।

অতএব বলা যায়, জমিতে ফসলের উৎপাদনে মালচিং অন্যতম  সহায়ক উপায়।

4 views

Related Questions