1 Answers
উদ্দীপকের আতিক সাহেবের জমির অম্লমান ৯ যা ক্ষারীয় অবস্থা নির্দেশ করে।
কোনো মাটিতে হাইড্রোজেন আয়নের (H') তুলনায় হাইড্রোক্সিল আয়ন, (OH) বেশি হলে তাকে ক্ষারীয় মাটি বলে। ক্ষারীয় মাটি সংশোধনের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে- ক্ষারীয় মাটি সংশোধনের মাধ্যমে চাষাবাদের উপযোগী করা যায়। এ মাটি সংশোধন করা খুবই জরুরি। মাটি থেকে ক্ষারত্ব দূরীকরণের প্রথম উপায় হলো মাটি থেকে লবণ সরিয়ে দেওয়া। পর্যাপ্ত পরিমাণ লবণমুক্ত পানি সেচ দিয়ে এর নিকাশের ব্যবস্থা করতে হয়। এতে মাটির ক্ষারদ্রব্য ধুয়ে যায়। গন্ধক ব্যবহার করে মাটির ক্ষারকত্ব নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সোডিয়াম সালফেটকে নিষ্কাশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মাটি থেকে দূরীভূত করতে পারলে মাটির ক্ষারকত্ব কমানো সম্ভব হয়। সাধারণত জমিতে pH এর পরিমাণ ৭.৫-এর বেশি হলে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বুঝে চুনাপাথর প্রয়োগ করতে হয়। মাটিতে অবস্থিত জৈব পদার্থ মাটির বাফার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলে মাটির ক্ষারত্ব কমে যায়। এভাবে মাটির ক্ষারত্ব কমাতে বায়োফার্টিলাইজার ও ট্রাইকোডার্মা ব্যবহার করা যায়। যে সকল মাটিতে কম পরিমাণে সোডিয়াম থাকায় ক্ষারকত্ব দেখা যায় সেক্ষেত্রে জমিতে সেচ দিয়ে নিষ্কাশন পদ্ধতিতে পানি বের করে দিলে ক্ষারকত্ব কমে যায়। ক্ষার সহনশীল বা ক্ষার প্রতিরোধক ফসলের চাষ করে ক্ষারীয় মাটি উৎপাদনশীল রাখা যায়।
উপরের বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষারীয় মাটিকে সংশোধন করে অধিক ফসল ফলনের উপযোগী করা যায়।