1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' হলো ধান চাষের SRI পদ্ধতি।

ধান চাষের এ পদ্ধতিটি নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো-

  •  এ পদ্ধতিতে যেকোনো জাতের ধান চাষ করা যায়। নির্বাচিত জাতের ধানের বীজ বিশুদ্ধ হতে হয় এবং কম ঘনত্বে বীজতলায় বপন করতে হয়। 
  • এ পদ্ধতিতে প্রচলিত পদ্ধতির চেয়ে ৭৫-৮০% বীজ কম লাগে। হেক্টর প্রতি ৬-৭ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়। 
  •  কম বয়সের চারা (৭-১০ দিন) রোপণ করতে হয়। এ সময় চারায় ২টি পাতা জন্মায়। এতে চারা শক্ত থাকে, মারা যায় না, আগাম থোড় বের হয় না ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়। 
  • বর্গাকার পদ্ধতিতে চারা রোপণ করতে হয়। চারা থেকে চারার দূরত্ব ও সারি থেকে সারির দূরত্ব ২৫-৩০ সেমি হতে হয়। প্রতি গোছায় ১টি করে চারা রোপণ করতে হয়। 
  • সাধারণত রোপা আমন মৌসুমে মধ্য জুলাই থেকে মধ্য আগস্ট মাসে এবং বোরো মৌসুমে জানুয়ারির প্রথম দিকে জমিতে চারা রোপণ করা হয়। 
  •  SRI পদ্ধতিতে ভালো ফলন পেতে হলে পর্যাপ্ত সারের ব্যবস্থা রাখতে হয়। জমিতে জৈব সার প্রয়োগের পাশাপাশি রাসায়নিক সারও প্রয়োগ করতে হয়। তাহলে ধান গাছের বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়।
  • একান্তর ভেজা ও শুকনো পদ্ধতিতে সেচ দিতে হয়।
  • দানা গঠন শুরু হওয়ার পর সেচ দেওয়ার দরকার নেই।
  • AWD পদ্ধতিতে সেচের জন্য জমিতে প্রচুর আগাছা জন্মায়। কারণ জমিতে দাঁড়ানো পানি থাকে না। ভালো ফলন লাভের জন্য চারা রোপণের ১০-১২ দিন পর থেকে কাইচ থোড় আসা পর্যন্ত ২/৩ বার আগাছা দমন করতে হয়।
  • ৮০% ধান পরিপক্ক হলে কেটে সংগ্রহ করতে হয়। SRI পদ্ধতিতে ফসলের জীবনকাল ১০ দিন পর্যন্ত কমে যায়।

 

উল্লিখিত আলোচনার মাধ্যমে, SRI পদ্ধতিতে ধান চাষের কলাকৌশল বর্ণনা করা হয়েছে।

5 views

Related Questions