1 Answers

উদ্দীপক দ্বারা বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রের পরিবর্তনকে নির্দেশ করা হয়েছে। শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। এর প্রভাবে এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক অনেক কোর্স চালু হয়েছে। এছাড়াও সব মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে সব শ্রেণিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং জীবন ও কর্মমুখী শিক্ষা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করেছে। নবম-দশম শ্রেণিতে শারীরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যাতে করে ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা থাকে। বাংলাদেশ বর্তমানে বেকারত্বের সমস্যায় ভুগছে। কারণ গতানুগতিক কিছু চাকরির জন্য আমরা সবাই প্রতিযোগিতা করছি। কিন্তু গতানুগতিক চাকরিগুলো ছাড়াও কর্মসংস্থানের বহু সুযোগ রয়েছে তা আমরা চিন্তা করি না, এজন্য কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা অনেক সহায়ক হবে। বর্তমান বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান দরকার, এক্ষেত্রে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়টি অনেক সহায়ক হবে। কিশোর বয়সে শারীরিক জ্ঞান অত্যন্ত অবশ্যক। কারণ এ বয়সে বয়ঃসন্ধির কারণে অনেক শারীরিক পরিবর্তন সাধিত হয়, যা মানসিকভাবেও সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপক দ্বারা বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রের পরিবর্তনকে নির্দেশ করা হয়েছে।

4 views

Related Questions