1 Answers
উদ্দীপকে জ্ঞাতিসম্পর্কের ইতিবাচক দিক প্রতিফলিত হয়েছে। কেননা জ্ঞাতিসম্পর্কের মাধ্যমে জরিনা ও সখিনার পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ফলে তাদের পরিবারের একে অন্যের সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে পাশে এসে দাঁড়াবে।
জ্ঞাতিসম্পর্ক সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ সম্পর্ক সমাজজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন- জ্ঞাতিরা অভাব অনটনে টাকা-পয়সা, শস্য, বীজ, খাবার ইত্যাদি দিয়ে সহায়তা করে থাকে। অনেকে জ্ঞাতিদের ব্যবসায়-বাণিজ্যের জন্য কাঁচামাল বা পুঁজি সরবরাহ করে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে তারা পাশে এসে দাঁড়ায়। এছাড়া বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতেও জ্ঞাতিরা সেবা দিয়ে সহায়তা করে। বিভিন্ন বিপদ-আপদ বা সংকট পূর্ণ সময়ে তারা সুপরামর্শ প্রদান করে। অনেকে জ্ঞাতিসম্পর্ককে গ্রামীণ নেতৃত্ব এবং ক্ষমতা কাঠামোর অন্যতম উপাদান বলে মনে করেন। মূলত এ সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করেই সমাজে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক বা মিথস্ক্রিয়া সংঘটিত হয়।
পরিশেষে বলা যায়, জরিনা ও সখিনার পরিবারের মধ্যে যে জ্ঞাতিসম্পর্ক গড়ে উঠেছে তার মাধ্যমে উভয় পরিবারই উপরের সুফলগুলো ভোগ করবে।