1 Answers
জ্ঞাতিসম্পর্কের রাজনৈতিক অপব্যবহার যোগ্য নেতৃত্ব গঠনের অন্তরায়- আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত।
বিশ্বের যেকোনো দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাতেই আত্মীয়স্বজনের ভূমিকা কম-বেশি পরিলক্ষিত হয়। এটি তৃতীয় বিশ্বের প্রেক্ষাপটে আরও বেশি লক্ষণীয়। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশে এর ভূমিকা অনেক ক্ষেত্রেই নেতিবাচক হয়।
বাংলাদেশের যেকোনো নির্বাচন ব্যবস্থাতেই যে প্রার্থীর আত্মীয়স্বজন বেশি কিংবা অনেক আত্মীয়স্বজন থাকে অথবা কালো টাকার জোর থাকে তারা নির্বাচিত হয়। তাতে প্রার্থী যোগ্য হোক আর অযোগ্য হোক। যেমনটি উদ্দীপকের নিজাম সাহেবের ক্ষেত্রেও দেখা যায়। কিন্তু জ্ঞাতিদের এ ধরনের ভূমিকা যোগ্য নেতৃত্ব তৈরিতে বাধা হয়ে দাড়ায়। ফলে দেশ পরিচালিত হয় অযোগ্য নেতৃত্বে এবং দেশ পারে না তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌছাতে। কারণ একটি দেশের সফলতায় যোগ্য নেতৃত্ব পারে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে। সে কারণে নেতৃত্ব নির্বাচনে স্বজনপ্রীতিমুক্ত থেকে দক্ষ, যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে। তাই প্রশ্নোক্ত বক্তব্যের সাথে আমি একমত যে, নির্বাচনে জ্ঞাতিদের স্বজনপ্রীতি যোগ্য নেতৃত্ব গঠনের অন্তরায়।