1 Answers
উদ্দীপকে যে সমাজের কথা বলা হয়েছে তা হলো শহুরে সমাজ। উক্ত সমাজের সাথে অর্থাৎ শহুরে সমাজের সাথে গ্রামীণ সমাজের আন্তঃসম্পর্ক নিচে মূল্যায়ন করা হলো:
বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থার দুটি ধরন হলো গ্রাম ও শহর এবং এদের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। এদের মধ্যে বিভিন্ন দিক দিয়ে যথেষ্ট পার্থক্য পরিলক্ষিত হলেও এদের পারস্পরিক নির্ভরশীলতার আন্তঃসম্পর্ককে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। যুগের পরিবর্তনে বাংলাদেশেও নগরায়ণের প্রবণতা লক্ষ করা যায়। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে নগরায়ণের গুরুত্ব দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার মূল কারণ হলো অর্থনৈতিক প্রবৃত্তি ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। এসব কারণে বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজ থেকে অনেক মানুষ শহরের দিকে স্থানান্তরিত হচ্ছে। তবে গ্রামীণ সমাজেরও আলাদা কিছু গুরুত্ব রয়েছে। কেননা বাংলাদেশের অধিকাংশই গ্রাম এবং এদেশের অর্থনীতি গ্রামীণ অর্থনীতির ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতিতে রয়েছে হাজার বছরের পুরোনো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। আবার বাংলাদেশের শহুরে সংস্কৃতিতে আধুনিক ও সনাতন সংস্কৃতির সংমিশ্রণ লক্ষ করা যায়। অর্থাৎ একটি ছাড়া আরেকটি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা লাভ করা যায় না। বাংলাদেশের গ্রামীণ ও নগর সমাজে ব্যাপক পার্থক্য পরিলক্ষিত হলেও বর্তমানে এ পার্থক্য ক্রমশ কমে আসছে। উভয়ের মধ্যে সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তাই তাদের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা সহজেই সবার দৃষ্টি কাড়ছে। সুতরাং বলা যায়, শহুরে সমাজ ও গ্রামীণ সমাজের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ক চমৎকার।