1 Answers
উদ্দীপকে রূপনারায়ণপুর গ্রামীণ সমাজ ও হরিচন্দ্রপুর শহর সমাজকে নির্দেশ করে।
উক্ত সমাজের তথা গ্রামীণ সমাজ ও শহর সমাজের মধ্যে চমৎকার আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান- বক্তব্যটি আমি সমর্থন করি।
বাংলাদেশের প্রায় ৭৬ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে এবং মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৮০ শতাংশ সরাসরি কৃষির সাথে সম্পর্কিত। ফলে শহুরে সমাজকে গ্রামীণ সমাজের ওপর নির্ভর করতে হয়। প্রকৃতপক্ষে গ্রামীণ ও শহুরে সমাজ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।
গ্রাম ও শহর সমাজের অধিবাসীদের সমাজজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পার্থক্য থাকলেও তাদের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান। উভয় ধরনের জীবনব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই সম্পর্ক সম্বন্ধে অবহিত হওয়া যায়।
শহরে জাতীয় উৎসব ও আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় যেখানে সবাই অংশগ্রহণ করে থাকে। অনেক সময় এসব অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে অনেকেই শহরে আসে। ইদানীং গ্রাম সমাজেও এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এ সব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাম ও শহর সমাজের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হয়।
সম্প্রতি শহর সমাজের মতো গ্রামীণ সমাজেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। গ্রামীণ পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মেম্বার নির্বাচনেও দলীয় প্রভাব চোখে পড়ে। তাছাড়া অনেকেই শিক্ষিত হয়ে গ্রামে ফিরে এসে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ছে।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে এটি স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, গ্রাম ও শহর সমাজের মধ্যে চমৎকার আন্তঃসম্পর্ক বিদ্যমান।