1 Answers
উদ্দীপকের দৃশ্য-২-এর সংস্থা অর্থাৎ বেসরকারি সংস্থার কার্যক্রম নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের গ্রামীণ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে তরান্বিত করবে।
বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলো সমাজের দরিদ্র শ্রেণির আর্থ-সামাজিক উন্নতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বেসরকারি সংস্থাগুলো নারী শিক্ষার বিস্তার, নারীর ক্ষমতায়নে অনুকূল সামাজিক পরিবেশ তৈরি, দরিদ্র মানুষের জন্য মূলধন তৈরি ইত্যাদি কাজ করছে। বেসরকারি সংস্থাগুলো তাদের সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশে শিশু ও বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে নিরক্ষরতা মুক্ত দেশ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ লক্ষ্যে তারা বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করছে। পাশাপাশি নারীদেরকে সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য গ্রামাঞ্চলের অজ্ঞ, অশিক্ষিত, দরিদ্র নারী সমাজকে সহজ শর্তে ঋণদান ও নানামুখী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী করে তুলছে। এসব কর্মসূচির পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলো কৃষির উন্নয়নে কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান, বিভিন্ন ধরনের কৃষি উপকরণ সরবরাহসহ নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করে। এছাড়া বেসরকারি সংস্থাগুলো দারিদ্র্য দূরীকরণেও ব্যাপক ভূমিকা রাখে। তারা দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্যে দরিদ্রদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে বিভিন্ন কর্মে নিয়োজিত করার মধ্য দিয়ে দারিদ্র্যের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করে।
উপরের আলোচনার পরিসমাপ্তিতে বলা যায়, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি সংস্থাগুলো যেসব কর্মসূচি পরিচালনা করে তা এ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করছে।